আধা লিটার পানি নিয়ে দিলেন ১০০ টাকা। বোতলের গায়ে ১৫ টাকা দাম লেখা থাকলেও বিক্রেতা নিলেন ২০ টাকা। জানতে চাইলে তিনি বললেন, আমাদের এখানে দাম এমনই!
বিদেশ থেকে দেশে আসছেন বাবা। তার অপেক্ষায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছেলে আফতাবউদ্দিন। পানির তৃষ্ণা পেলে যান একটি দোকানে।

সচেতন মানুষ আফতাবউদ্দিন দৃঢ়ভাবে জানালেন যে, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের অতিরিক্ত দাম রাখা অপরাধ এবং এর জন্য তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাবেন। তবুও বাড়তি নেয়া ৫ টাকা ফেরত দিতে নারাজ বিক্রেতা।

বিক্রেতা তাচ্ছিল্যভরে বলে উঠলেন, ’মাত্র ৫ টাকার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট আসবে এখানে?’

এরপর ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোন করে বিস্তারিত জানালেন আফতাবউদ্দিন। ১০ মিনিট পরে ঘটনাস্থলে হাজির বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট। দেখেতো চোখ কপালে উঠলো বিক্রেতার!

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বিক্রেতাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হল। সবশেষে অভিযোগকারী আফতাবউদ্দিন পেলেন আদায়কৃত জরিমানার ২৫ ভাগ।

এ বিষয়ে আফতাবউদ্দিন বলেন, ৫ টাকা বড় বিষয় ছিল না। বড় বিষয় ছিল বিক্রেতা সাধারণ ভোক্তাদের সাথে অন্যায় করছেন। এ জন্যই আমি প্রতিকার চেয়েছিলাম।

বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেটকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষ সচেতন হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে সকল ক্ষেত্রেই অনিয়ম অনেক কমে যাবে।