সরকারি বরাদ্দকৃত সোলার ও ঘর নির্মাণের কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে সানিয়াজান ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাটি ঘটে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায়। জানা গেছে, পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালালে উক্ত ঘটনার প্রমান পাওয়ায় তাকে যুবলীগ নেতার সদস্য পদ থেকে স্থগিত করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে উপজেলা যুবলীগ রফিকুল ইসলাম রফিককের সদস্য পদ স্থগিত করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি বরাদ্দকৃত সোলার ও ঘর নির্মাণ করে দেয়ার কথা বলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শাহ আলমে মাধ্যমে এলাকার ২৭ জনের ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও তারা ঘর কিংবা সোলার না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতারণার শিকার ২৭ জনের মধ্যে হামেলা খাতুন নামের একজন প্রতিবন্ধী নারীও রয়েছেন।

সানিয়াজান ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শাহ আলম জানান, সরকারি বরাদ্দকৃত সোলার ও ঘর দেয়ার কথা বলে ২৭ জনের নিকট আমি টাকা গ্রহণ করি। পরবর্তীতে ওই টাকা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে দিয়ে দেই। এর আগেও ১২টি সোলার বাবদ ৬০ হাজার টাকা রফিককে আমি দিয়েছি।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল হামিদ সরকার হামিদুল বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রফিকের সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে সানিয়াজান ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদ রফিকুল ইসলাম রফিক সব অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেন, জানি না আমার বিরুদ্ধে কে কি অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তূ আমি স্পট ভাবে বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধে উঠে আসা এ সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি এমন কোনো কাজ করিনি। এবং কারও কাছ থেকে টাকা পয়সাও নেইনি।



আমার উপর যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে কেউ।