দেশের করো না পরিস্থিতির মধ্যে অনেক বন্দীদের মুক্তির প্রসঙ্গে কথা হচ্ছে উপর মহলে। সারা বিশ্বের অনেক দেশে কোন ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন কারাগার থেকে অনেক কয়েদিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশেও এমনটি চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।দেশের কারাগারে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় এই কারাগারগুলোতে করোনা ভাইরাস কয়েদিদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে এমন আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। তবে এরই মধ্যে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তির জন্য জোর আবেদন উঠেছে। বিভিন্ন সংগঠন তার মুক্তির জন্য আবেদন জানাচ্ছে সরকারের কাছে



যুদ্ধাপরাধের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় বহিষ্কার হয়েছেন ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জিহাদুল ইসলাম।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জিহাদুল ইসলাম ঢাকায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আইন কলেজের শিক্ষার্থী। এর আগে তিনি সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বাসিন্দা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বহিষ্কৃত জিহাদুল ইসলাম গত ২৯ মার্চ তারিখে তার জিহাদুল ইসলাম নামের ফেসবুক পেইজ থেকে জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর কারামুক্তির দাবি করেন। বিষয়টি নজরে আসলে বৃহস্পতিবার রাতে জরুরী সভা করে জিহাদুলকে বহিষ্কার করা হয়।

এই ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে নাটক করে বেশিক্ষণ টিকে থাকা যায় নাহ। অনেকেই সুযোগ বুঝে বোল পাল্টে দলে ভীরে, কিন্তু সময় হলেই তাদের আসল চরিত্র বের হয়ে আসে। সাঈদীর মুক্তি চাওয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আদর্শের পরিপন্থী।


দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কারাবন্দীদের মুক্তির কথা চিন্তা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী কে মুক্তি দেওয়ার কথা বলছে অনেকেই। গেল কিছুদিন আগে চিকিৎসক ফোরামের থেকে একটি আবেদন করা হয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট যেখানে মানবিক কারণে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী কি মুক্তি প্রসঙ্গে কথা বলা হয়। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন সংগঠন দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তির জন্য বলছেন। তবে এই বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে ইতিবাচক কোনো সাড়া এখনো মেলেনি।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display