নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দুর্নী’/তিবা’জ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় নথিপত্র নক’/লের মাধ্যমে সোনা ব্যবসায়ী মনির হোসেনের রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে ২০০ টিরও বেশি প্লট রয়েছে। ’গোল্ডেন মনির’ নামে খ্যাত, মনিরুল ইসলামকে শুক্রবার গভীর রাতে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় তার বাসায় রাতভর অভি’/যান চালিয়ে গ্রে’/প্তা’র করা হয়। অভি’/যানে এলিট পু’/লি’শ ইউনিট গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, অভি’/যানে সোনা এবং মূল্যবান ধাতু, লিকার, একটি পি’/স্ত’ল ও গো’/লাবা’/রু’দসহ বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উ’দ্ধার করেছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

রাজধানীর বাড্ডার এই ব্যবসায়ীকে ’স্বর্ণ ব্যবসায়ী হিসেবে আখ্যায়িত’ করায় আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‌’২১ নভেম্বর বিভিন্ন গণমাধ্যমে জনৈক মনিরুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন মনিরকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। এতে দেশের সাধারণ স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মান ক্ষু’/ন্ন হচ্ছে। বাজুসের তথ্য মতে মনির স্বর্ণ ব্যবসায়ী নয়।’
এতে বলা হয়, ‌’বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি তথা বাজুসের কোনো সদস্য এ ধরনের কোনো ক’র্মকা’/ণ্ড সমর্থন করে না। অধিকন্তু আমরা এ ধরনের অ’বৈ’/ধ কার্যকলাপ নি’ধনে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে সাধুবাদ জানাই। ভবিষ্যতে যদি প্রয়োজন হয় তবে এ ধরনের সকল প্রকার অ’বৈ’/ধ কাজ শক্ত হাতে নি’ধনে আমরা সরকারের পাশে থাকব।’

বাংলাদেশের গণমাধ্যমে মনিরুল ইসলামকে ’স্বর্ণ ব্যবসায়ী’ হিসেবে আখ্যায়িত না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

উল্লেখ্য, গোল্ডেন মনিরের বাড়ি থেকে বিশ্বের প্রায় দশটি দেশের বিভিন্ন মানের নোটের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জ’/ব্দ করে। এই অর্থ বাংলাদেশি টাকায় যার মানে ৯ লাখ টাকার সমপরিমান। তার ঐ বাসা হতে ৮ কেজি সোনা এবং নগদ এক কোটি ৯ লাখ টাকা সিজ করা হয়। র‌্যাবের আইনী ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেঃ কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, মার্কিন ডলার এবং সৌদি রিয়াল সহ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বা’/জে’য়াপ্ত করা হয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা যে তথ্য পেয়েছি, সেখানে তার স্বর্ণ চো’/রাকা’রবার পরিচালনার যে রুট ছিল, সেটা হলো ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ভারত। এসকল কারবার তিনি করতেন ট্যাক্স ফাঁ’/কি দেওয়ার মাধ্যমে। বিপুল পরিমান সোনা কার’বারের পর্যায় থেকে তার নাম হয়ে যায় ’গোল্ডেন মনির’।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display