বলিউডের খুব নামকরা না হলেও একজন জনপ্রিয় অভিনেতা কামাল রশিদ খান, তিনি একটু ভিন্ন ধরনের কৌশন নিয়ে থাকেন কারনে তিনি নিজেকে সবসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিত’র্কিত সব মন্তব্য করার মাধ্যমে আলোচনায় উঠে আসতে পছন্দ করেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

যখনই তিনি সুযোগ পান, তিনি বলিউডের উঠতি তারকাদের পেছনে লেগে যান। এবার তার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন বাঙালি সুদর্শীনি অভিনেত্রী মৌনী রায়ের নাম। কমল মৌনি রায়ের আকর্ষনীয় ফিগার এবং চেহারা নিয়ে মন্তব্য করলো কিন্তু সেটা মন্তব্য নয় ক’টা/ক্ষ। তাঁর মতে, মৌনি এখন যেভাবে বলিউডকে তার রূপের ঝ’লকানিতে উজ্জ্বল করছেন তা শুরুতে এমন ছিল না।

মৌনী রায় নাকি টাকা দিয়ে নিজের চেহারায় সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছেন। সম্প্রতি টুইটারে মৌনীর একটি ছবি পোস্ট করেছেন কমল। সেখানে তার বিভিন্ন বয়সের চেহা’রার ছবি পোস্ট করেছেন। সময়ের সঙ্গে মৌনীর পরিবর্তন সেই ছবিতে দৃশ্যমান।

সেই ছবির ক্যাপশনে কমল লিখেছেন, ’অর্থ থাকলে রূপ বদলে যেতে সময় লাগে না। দেখুন, মৌনী রায় কী ভাবে নিজেকে বদলাতে থাকেন।’ কমলের এই টুইটের পর অনেকেই তার সঙ্গে একমত হলে কেউ কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

তারা লিখেছেন, ’কিঁউকি সাস ভি কভি বহু থি’- সিরিয়ালে অভিনয়ের সময় এতোটা সুশ্রী ছিলেন না মৌনী। হয়তো তিনি মুখে প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন।’

মৌনীকে নিয়ে এই গু’/ঞ্জন চা’ঙা হওয়ার আরো একটি কারণ রয়েছে। সুরজ নাম্বিয়ার নামে দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে চু’টিয়ে প্রেম করছেন মৌনী। আগামী বছর জানুয়ারি মাসে বিয়ে প্রেমের পরিণতি টানবেন এ জুটি। হবুস্ত্রীর জন্য দুহাতে অর্থ খরচ করছেন সুরজ। মৌনীর এই আমূল পরিবর্তনে সুরজের হাত থাকতে পারে বলে ধারণা অনেকের।

প্রসঙ্গত, কোচবিহারের মেয়ে মৌনি রায়, সেখানেই তার জন্ম ও বেড়ে উঠেছেন। তিনি ২০০৪ সালে মুম্বাইয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড নৃত্যশিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন কিন্তু তার প্রাপ্য চরিত্রটি পাননি। ২০০৬ সালের দিকে, তিনি জনপ্রিয় ভারতীয় টিভি সিরিজ ’কিউকি সাস ভি কবি বহি থি’ -তে তার ভূমিকার জন্য খ্যাতি পেয়েছিলেন।

এরপর তিনি একতা কাপুরের সিরিয়াল ’নাগিন’ সিরিয়ালে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা এবং সকলের নজরে আসেন। ২০০৬ সালে বলিউডের সুপারস্টার অক্ষয় কুমারের সাথে তার নায়িকা হিসেবে ’গোল্ড’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি তার বলিউডের সিনেমায় যাত্রা শুরু করেছিলেন। এরপর থেকে মৌনি রায়কে অনেক বলিউডি আইটেম গানে দেখা গেছে।



আরো পড়ুন

Error: No articles to display