এটি আরম্ভ হয়েছিল ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে অর্থাৎ জুন মাসের দিকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের বেশ কয়েকটি মৌলিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অভাব, অভি’যোগ এবং পরামর্শ সম্পর্কে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করার জন্য ভিন্নভাবে ’পাবলিক টু সিএম’ উদ্ভাবনী ব্যবস্থা চালু করেছে। ফলাফলও হাতে মিলেছে। মাত্র দেড় বছরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় (সিএমও) ১২ লক্ষেরও অধিক সমস্যার সমাধান করে একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

এটি সামগ্রিকভাবে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ নাগরিককে উপকৃত করেছে। আবাসন, রাস্তাঘাট, রেশন, কর্মসংস্থান, পৌরসভা পরিষেবা ইত্যাদি সংক্রান্ত হাজারো অ’ভিযো/গ পশ্চিমবঙ্গ সচিবালয়ে (নবান্ন) জানানো হয়েছিল। ইতিমধ্যে ৯৫ শতাংশ অ’ভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই পুরো বিষয়টি ত’দারকি করেছেন। নবান্নের শীর্ষ আ’মলা/রা দা’বি করেন যে এটি জাতীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর দিক থেকে একটি রেকর্ড।

সিএমওর এক কর্মকর্তা বলেন, রাজ্যের যে কোনো নাগরিক আমাদের কাছে যে কোনো বিষয়ে অ’ভি/যোগ-পরামর্শ জানাতে পারেন। ফোন, মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ, এসএমএস যে কোনো মাধ্যমেই তা জানানো যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে অভি’যোগগুলো যাচাই-বাছাই করে নথিবদ্ধ করা হয় সিএমওর বিশেষ পোর্টালে। দু’দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরের শীর্ষস্তর থেকে স’মস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়।

উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট কোনো রাস্তার সম্প্রসারণ কিংবা সংস্কার সংক্রান্ত অ’ভিযো’গ কিংবা পরামর্শ দিয়েছেন। প্রথমে বিষয়টির বাস্তবতা বি’/চা’র করে তা পোর্টালে লিপিবদ্ধ হয়। এরপর দু’দিনের মধ্যে সেটি যায় পূর্তদপ্তরের মন্ত্রী-সচিবের কাছে। সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই রাস্তা তৈরি করে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট সিএমওতে পাঠায় পূর্তদপ্তর। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর নিজস্ব প্রশাসনিক পরিকাঠামো ব্যবহার করে বিষয়টি পুনরায় যাচাই করে।

অভি’যোগকারীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তিনি সন্তুষ্ট কিনা তাও জানা হয়। তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করলে পোর্টালে সংশ্লিষ্ট অভিযোগটি ’ক্লোজড’ করা হয়।’ এই হিসেবে এ দেড় বছরে মুখ্যমন্ত্রীর নিজস্ব দপ্তর ১২ লক্ষের বেশি সম’স্যার সমাধান করেছে বলে দা’বি করেন ওই কর্মকর্তা।

তিনি জানান, অভিনব এই ব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজারের বেশি গৃহহীন মানুষের থাকার জায়গা হয়েছে। ১৬ হাজার ১৯৯ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, মমতার ব্রেনপ্রসুত নিজস্ব এই ধরনের পরিকল্পনা লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য মূলত: ’অমৃত সুধা’ হিসাবেই কাজ করছে। সূত্রের খবর, সিএমও লকডাউন পর্বে আবেদন করার ভিত্তিতে ৪ মিলিয়ন মানুষের মাঝে খাদ্য সরবরাহ করেছে। ২০ লাখেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিকদেরকে রাজ্যে ফেরত আনার মতো অনন্য নজীর গড়েছেন।

এছাড়াও, নানা সময়ে যে সকল ঘূর্ণিঝড় হয়েছে সেই সময়ে তিন লাখেরও বেশি মানুষ আশ্রয়-চিকিৎসা সেবা পেয়েছে।



আরো পড়ুন

Error: No articles to display