কয়েক মাস আগে ভারতে বিতর্কিত হয় সেখানে প্রনীত কৃষি আইন, এবার সেই আইন বা’তিল করার দাবিতে কৃষকদের ডাকা ভারত বনধের জন্য দিল্লির প্রায় সকল মহাসড়কে চ’রম যানজট লেগে গেছে। গুরুগ্রাম-দিল্লি মহাসড়কে ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি হওয়ার কারনে সেখানকার সাধারন মানুষেরা পড়েছেন চ’রম ভো’গান্তিতে। বিত’র্কিত এই কৃষি আইন পাস করার এক বছর পরে আজ (সোমবার) ভারত অচল করার আহবান জানালো কৃষকেরা।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

গুরুগ্রাম-দিল্লি মহাসড়কে তী’ব্র যানজট বিরাজ করছে। বিত’র্কিত কৃষি আইন বাতিলের দাবী দিল্লি মহাসড়কে হরিয়ানা এবং পাঞ্জাব এবং উত্তর প্রদেশ সহ বিভিন্ন স্থানে ভারত বনধ কর্মসূচির বাস্তবায়নে প্রভাবিত করেছে সেখানকার মহাসড়কগুলোকে। কৃষকরা রাস্তা অবরোধ করে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি করে।

বিত’র্কিত তিনটি কৃষি আইন পাসের এক বছর পূর্তিতে আবারও উ’ত্তাল হয়ে উঠেছে ভারত। পূর্ব ঘোষিত ভারত বনধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্থানীয় সময় ভোর ৬টা বিভিন্ন প্রদেশের রাস্তায় অবস্থান নেন কৃষকরা। এ সময় বিত’র্কিত আইন বাতিলে বিভিন্ন স্লো’/গান দেন তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পাঞ্জাবের অন্তত সাড়ে ৩০০ স্থানে বি’/ক্ষো’/ভ হয়।

আ’/ন্দো’/লনে আসা একজন বলেন, এটা শুধু কৃষকদের আ’/ন্দো’/লন না। পুরো দেশকে বাঁচাতে আমাদের আ’/ন্দো’/লন। সবকিছু বন্ধের ডাক দিয়েছি। শুধু জরুরি সেবা চালু থাকবে। সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতৃত্বে ৪০টির বেশি কৃষক সংগঠনের ডাকা এই ধর্মঘ’টে বন্ধ রাখা হয়েছে সরকারি, বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান। তবে জরুরি সেবাগুলো চালু রাখার কথা জানান কৃষকরা।

বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতা যারা রয়েছেন তারাও কৃষক আ’/ন্দো’/লনের প্রতি সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। এর পূর্বে, অন্ধ্র প্রদেশ এবং তামিল সরকার কৃষকদের এই ধরনের দা’বিকে পূর্ন সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা করেছিল। কর্মসূচির কারনে সৃষ্ট কোনো ধরনের অ’প্রী/তিকর ঘটনা এড়া’তে দিল্লিতে নিরাপত্তা বল’বৎ করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় বাড়তি পু’/লি’/শ মো’তা/য়েন করা হয়েছে। তবে এই বিপুল সংখ্যক বি’/ক্ষো’/ভকারীদেরকে কোনোভাবে শহরে ঢুকতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছে সেখানকার পু’/লি’/শ।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display