শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড , আর শিক্ষকরাই জাতিকে ভবিষ্যতের পথ দেখাবে, এমন সব কথা বই পুস্তকে প্রায়শই বলা হয়, কিন্তু সেই শিক্ষকই যদি ঠিক মত পড়তে না পারে, তাহলে সেই জাতির ভবিষ্যত যে অন্ধকারময় সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের প্রায় প্রতিটি দেশেই স্কুল পর্যায়ে সরকারী শিক্ষাব্যবস্হার সাথে প্রাইভেট শিক্ষাব্যবস্হা ও মানের ব্যাপক ফারাক পরিলক্ষিত হয় । সেইরকম এক ঘটনার ঘটলো ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের চাউরা গ্রামে ।
ইংরেজি জানা শিক্ষক হয়তাে অনেক পাওয়া যাবে, কিন্তু ইংরেজি শেখানাের ক্ষমতাসম্পন্ন শিক্ষক? এক কথায় বেশই অপ্রতুল।তিনি ইংরেজির শিক্ষিকা অথচ নিজেই ভাল মতো ইংরেজি পড়তে পারেন না। ইংরেজি পড়তে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের চাউরা গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান উন্নাওয়েরে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দেবেন্দ্রে পাণ্ডে। তিনি সেখানে গিয়ে ইংরেজি শিক্ষিকাকে পড়তে বলেন। ইংরেজি পড়তে গিয়ে ওই শিক্ষিকা রীতিমতো থতমতো খেয়ে যান।

তার আগে ওই ম্যাজিস্ট্রেট অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ইংরেজি পাঠ্যবই বের করে পড়তে বললে আমতা আমতা করে পড়তে থাকেন। পরে ওই শ্রেণি কক্ষে উপস্থিত বিদ্যালয়টির ইংরেজির শিক্ষিকা রাজহকুমারীকে বইটি থেকে একটি অধ্যায় পড়তে বলা হয়। তিনিও ইংরেজি পড়তে গিয়ে বার বার হোঁচট খান।

শিক্ষিকার এমন দৈন্য দশা দেখে রাগান্বিত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট তার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিতে বললে, শিক্ষিকা নিজের সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করেন, তিনি শিক্ষিকাকে থামিয়ে দিয়ে ম্যাজিষ্ট্রেট বলেন, তাতে কি আপনি তো একজন গ্রাজুয়েট, আমি তো আপনাকে কোন কিছু মানে বলতে বলেনি কিংবা কোন কিছু অনুবাদ করতে বলেনি, আমি কেবল আপনাকে পড়তে বলেছি, আপনি সেটাও পারেননি।


আরো পড়ুন

Error: No articles to display