করোনাভাইরাস এখন সারা বিশ্বজুড়ে সৃষ্টি করেছে একটি বড় সমস্যা,যার ফলে প্রায় প্রত্যেক দেশে নেমেছে অর্থনৈতিক ধ্বস। এর থেকে বাদ যায়নি বাংলাদেশও। বর্তমানে করোনাভাইরাস জনিত রোগ বেশ তীব্র আকার ধারন করেছে। দেশজুড়ে লকডাউন থাকার পর এবার তা কমে গিয়ে শুরু হয়েছে এলাকাভিত্তিক লকডাউন। কিন্তু ভেঙ্গে পড়েছে অর্থনীতি যার ফলে লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে অনেক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানগুলো এখন শুরু করেছে কর্মী ছাটাই। যার ফলে চাকরি হারাচ্ছে হাজার হাজার কর্মী এমনকি চাকরিরত অবস্থায়ও কমেছে বেতন।
রাজধানী ঢাকার একটি নামকরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিরত মাহিদুল ইসলাম। তিনি তার এই প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন পান ৩০ হাজার টাকা। করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাবের কারনে তিনি মার্চ মাসের পর থেকে পাননি পূর্ণ বেতন। এপ্রিল মাসে যে বেতন পেয়েছিলেন তা পুরো বেতনের অর্ধেক, তিনি মে মাসের বেতন দিতে প্রতিষ্ঠানটি হিমশিম খাওয়ায় বেতন এখনো পাননি। দুই মাস ধরে বাড়িভাড়াও দিতে পারেননি। ঈদের সময় লকডাউন শিথিল হওয়ায় স্ত্রী-সন্তানকে রেখে এসেছেন গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরে। করোনা পরিস্থিতি যতদিন উন্নতি না হচ্ছে তত দিন তাদেরকে ঢাকায় আনতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মাহিদুল ইসলাম বলেন, ’১২ হাজার টাকা বাড়িভাড়া দিতে হয়। আর বাকি টাকা দিয়ে সংসার চলে যায়। কিন্তু এখন বেতনই পাচ্ছি ১৫ হাজার টাকা। তাহলে সংসার কিভাবে চলবে? আগামী মাস থেকে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দিয়ে দিয়েছি।’

শুধু মাহিদুল ইসলাম নন, রাজধানীর অনেক বেসরকারি চাকরিজীবীর একই অবস্থা। চরম সংকটে পড়েছেন তাঁরা। বাড়িভাড়া দিতে না পেরে অনেকেই তাঁদের পরিবার গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। অনেকেই কম টাকার বাসায় উঠছেন। আবার কেউ কেউ একেবারেই গ্রামে ফিরে গেছেন। অনেক বাড়িওয়ালাও ভাড়া কমিয়ে দিয়েছেন। যাঁদের বাড়ি খালি হয়েছে তাঁরা ভাড়াটিয়া পাচ্ছেন না।

রাজধানীর পান্থপথে একটি প্রতিষ্ঠান পাশাপাশি দুটি ভবন ভাড়া নিয়ে কাজ করে আসছিল। নাম প্রকাশ না করে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার একটি গনমাধ্যমকে বলেন, ’আমার ব্যবসার অবস্থা খারাপ। তাই ছোট ভবনটি ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বাড়িওয়ালা কোনোভাবেই আমাকে ছাড়বেন না। বাড়িওয়ালা বলেছেন, কয়েক মাস ভাড়া না দিলেও তাঁর সমস্যা হবে না। মে মাস থেকে আমি একটি ভবনের ভাড়া দিচ্ছি না। কর্মীদেরও বেতন কমাতে বাধ্য হয়েছি।’

দেশে তিন মাস ধরে করোনা সংক্রমণ চলছে। এর মধ্যে ৬৬ দিন ছিল সাধারণ ছুটি। এ সময়ে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের অফিস ও বেশির ভাগ ব্যবসা-বাণিজ্যই বন্ধ ছিল। ফলে নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না বেসরকারি চাকরিজীবীরা। আর করোনার পুরো তিন মাস ধরেই বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কষ্টে আছেন বেসরকারি শিক্ষকরা। অনেকাংশেই আয় কমেছে শ্রমজীবীদের। আগের মতো কাজ নেই। এ ছাড়া অনেক দোকান ও মার্কেট বন্ধ থাকায় কর্মচারীরাও বেতন পাচ্ছেন না। তবে ভালো আছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। অফিসে যেতে না হলেও নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন তাঁরা। এমনকি তাঁরা করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সামষ্টিক অর্থনীতি পর্যালোচনায় করোনার প্রভাবের চিত্র উঠে এসেছে। গত ৭ জুন সিপিডি এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানায়, করোনার কারণে দেশে দারিদ্র্যের হার ৩৫ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০১৬ অনুযায়ী তখন দারিদ্র্যের হার ছিল সাড়ে ২৪ শতাংশ। ২০১৯ সাল শেষে অনুমিত হিসাবে তা নেমে আসে সাড়ে ২০ শতাংশে। সিপিডি বলছে, করোনার কারণে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বেড়েছে, মানুষের আয় কমেছে। ফলে দারিদ্র্যের হারও বেড়ে গেছে। করোনার কারণে ভোগের বৈষম্য বেড়ে দশমিক ৩৫ পয়েন্ট হয়েছে।

সম্প্রতি পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) এক যৌথ গবেষণায় দেখা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির প্রভাবে শহরের নিম্ন আয়ের মানুষের আয় কমেছে ৮২ শতাংশ। আর গ্রামাঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষের আয় ৭৯ শতাংশ কমেছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা কোনো রকমে তিন বেলা খেতে পারলেও পুষ্টিমান রক্ষা করতে পারছে না।

করোনার প্রভাবে ধস নেমেছে দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তৈরি পোশাক খাতে। বিশ্ববাজারে ৩১৮ কোটি ডলারের বেশি ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থগিত হয়ে গেছে। ফলে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবিকা এবং ৩৫ বিলিয়নের মতো রপ্তানি আয় নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শীর্ষ খাত তৈরি পোশাক শিল্পে আয় কমেছে ১৯ শতাংশ।

ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের হিসাবে এ পর্যন্ত পাঁচ-সাত হাজার শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে। শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, মা’মলা প্রত্যাহার, চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল, বকেয়া পাওনা পরিশোধসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকরা এরই মধ্যে কয়েক দফায় সাভার ও আশুলিয়ায় মানববন্ধন, সড়ক অব রোধ ও প্রতি বাদ সমাবেশ করেছেন। গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের ৪৬১ কারখানায় এখনো শ্রমিকদের মে মাসের বেতন দেওয়া হয়নি। শুধু পোশাক খাত নয়, বেসরকারি খাতের অনেক প্রতিষ্ঠানে কর্মী ছাঁটাই চলছে। প্রবাসী আয়ও কমতে শুরু করেছে, যার উপর নির্ভরশীল নিম্নমধ্যবিত্তদের একটি বড় অংশ। করোনা সংকটের কারণে চাকরি হারিয়ে প্রবাস থেকে লাখ লাখ কর্মীর ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বেসরকারি চাকরিজীবীরা শঙ্কায় দিন কাটালেও সরকারি চাকুরেদের জন্য গ্রেডভেদে প্রণোদনা আছে ৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা। শুধু তা-ই নয়, সরকারি চাকুরেদের জন্য সুখবর আছে প্রস্তাবিত বাজেটেও। আগামী অর্থবছরের (২০২০-২১) বাজেটে তাঁদের জন্য বাড়তি বরাদ্দ থাকছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা বাবদ বরাদ্দ আছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে সেটা দাঁড়াচ্ছে ৬৫ হাজার কোটি টাকা।

করোনার কারণে ১ম-৯ম গ্রেডের কোনো কর্মকর্তা মা’রা গেলে পেনশন সুবিধার বাইরেই তাঁর পরিবার অন্তত ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পাবে। এর মধ্যে করোনার কারণে বিশেষ প্রণোদনা ৫০ লাখ, চাকরিকালীন অবস্থায় মৃ’ত্যুর জন্য আট লাখ, ১৮ মাস পর্যন্ত ল্যাম্প গ্রান্ট, কল্যাণ তহবিল থেকে গ্রুপ ইনস্যুরেন্সের টাকা, লা’শ দা’ফনের জন্য পৃথক অনুদান, কল্যাণ তহবিল থেকে পরিবারের জন্য মাসিক ভাতা ইত্যাদি নানা সুবিধা রয়েছে।

প্রণোদনার বাইরে বেশির ভাগ সরকারি চাকুরেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকে কাজ করতে হচ্ছে না। গত ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে অফিস খুললেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অফিসগুলোতে অত্যন্ত কমসংখ্যক চাকুরেকে উপস্থিত থাকতে হচ্ছে। এমনকি গাড়ি ব্যবহার না করেও উপসচিব ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা মাসে মাসে এ বাবদ ৫০ হাজার টাকা করে খরচ পাচ্ছেন।

কিন্তু ব্যতিক্রমও আছে। করোনা পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান নতুন নিয়োগ পাওয়া সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ২০ শতাংশ কমিয়েছে। এরই মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় কমিয়ে এনেছে ভিয়েতনামও। নিজেদের অর্থনীতিকে কক্ষপথে রাখতে একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরেক দেশ কম্বোডিয়া। দেশটিতে সংক্রমণ প্রায় শূন্যের কোটায়। সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে তারাও কৃচ্ছ্রসাধনের পথেই হেঁটেছে।

দেশে সরকারি চিকিৎসকরা নানা ধরনের সুবিধা পেলেও সম্মুখভাগে কাজ করেও ব’ঞ্চিত হচ্ছেন বেসরকারি চিকিৎসকরা। তাঁদের অনেকেই করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকলেও কোনো প্রণোদনা নেই। এমনকি অনেক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ছাঁটাই, বেতন কমানোসহ নানা ঘটনা ঘটছে।

করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই অবস্থায় সংকটে রয়েছেন ১০ লাখ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী। প্রায় সাত হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী নন-এমপিও। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার ২৫ হাজার শিক্ষকও তেমন বেতন-ভাতা পান না। একই অবস্থা বেসরকারি কলেজের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষকদের।

এ দিকে অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার যিনি বাংলাদেশ নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি তিনি একটি গনমাধ্যমকে বলেন, ’নন-এমপিও যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেখান থেকে এমনিতেই শিক্ষকরা তেমন ভালো কোনো বেতন পান না। তারা যা পান তার বেশির ভাগই আসে প্রাইভেট-টিউশনি করে। কিন্তু তাও নেই এই পরিষ্থিতে সবই বন্ধ রয়েছে।’

দেশের রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুল যেখানে ছয় লাখেরও বেশি শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানগুলো এক কথায় বেতন দেন না, শিক্ষকদের চলতে হয় টিউশন করে আর টিউশন ফি’র টাকায়ই চলে বাড়িভাড়া, নানা ধরনের বিল, সংসার খরচ, তাও সব বন্ধ। এসব প্রতিষ্ঠানে যে সকল নিম্নবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তদের সন্তানরা পড়ালেখা করায় তাঁরা পড়েছেন আর্থিক সমস্যায় তারা নিজেরাও বেতন না পাওয়ায় বেতন দিতে পারছেন না। এর বত্যয় নয় কোচিং সেন্টারগুলোরও।

মো. সাফায়েত হোসেন যিনি বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব তিনি একটি গনমাধ্যমকে বলেন, ’অনেক স্কুলের বেতন নেই, পড়ে আছে নানা ধরনের বিলের বকেয়া, ফলে এই সকল প্রতিষ্ঠানগুলো আর এসকল স্কুলগুলো ধরে রাখতে অক্ষম হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ ইতিমধ্যে স্কুল ছেড়ে দিয়েছে এবং অনেকেই খুব শীঘ্রই স্কুল ছেড়ে দিচ্ছে।’

আরো পড়ুন

প্রতারকের সাথে চিকিৎসক যুবতী তিন রাত হোটেলে, পরিচয় পেয়ে নিলেন আইনী সহায়তা

14 January, 2021 | Hits:814

সুইমিং পুলে দুটি মানুষ সাঁতার কাটছে, এটা যেন হংস-হংসী। স্বল্পকাপড় পরিহিতা যুবতী। পাতলা, লম্বা, শ্যাম চেহারার মেয়েটির আন...

বাংলাদেশকে নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য নিয়ে তীব্র প্র/তিবাদ

14 January, 2021 | Hits:613

মাইকেল আর পম্পেও যিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে করা একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তী’/ব...

অভ্যন্তরীন দলীয় কোন্দলে ক্ষু/দ্ধ শেখ হাসিনা, নিলেন সিদ্ধান্ত

14 January, 2021 | Hits:450

আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলা ও মহানগরীতে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার দলীয় আওয়ামীলীগের সাম্প্রতিক সময়...

এবার দিহানের সঙ্গীদের বি/রুদ্ধে ভিন্ন অভিযোগ তুললো আনুশকার পরিবার

14 January, 2021 | Hits:200

রাজধানীর কলাবাগানে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে গ’/র্হি’ত কাজ করা এবং এরপর হ’/ত্যা’র জন্য দ্রুত বি’/চা’র করার দা’/...

আলিশান বাড়ি-গাড়ি রেখে শিক্ষকের সাথে প্রবাসীর স্ত্রী হলেন উধাও

16 January, 2021 | Hits:199

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন একটি এলাকার একজন স্কুল শিক্ষকের সাথে এক প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ হয়েছেন। ঘটনাটি গত ১০ জান...

গ/র্হিত কাজে ডোম মুন্নার বিষয়ে এলো আরো নতুন তথ্য

16 January, 2021 | Hits:189

ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’/র্গে আরো আটজন যুব’তীর সাথে গ’/র্হি’/ত কাজ করার প্রমান পেয়েছে। হাসপাত...

এবার একজন খাঁটি নেতার মতই কথা বললেন কাদের মির্জা

16 January, 2021 | Hits:181

আওয়ামী লীগ হতে মনোনীত হয়েছেন মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা। তিনি বলেছেন, নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাধীন বসু...

চীন এবং পাকিস্তানকে দমিয়ে রাখতে এবার সর্বোচ্চ কৌশল ভারতের

14 January, 2021 | Hits:169

ভারত ধীরে ধীরে তার সা’/ম’/রিক বরাদ্দ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সা’/ম’/রিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে দেশটি ইতিমধ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ...

ভাড়া না পাওয়ায় শি/শুসহ ঘরে তালা, গেল প্রান

14 January, 2021 | Hits:144

এবার একজন বাড়িওয়ালার বি’/রু’/দ্ধে ভাড়া না দিতে পারায় ভাড়াটের একটি শিশুসহ ঘর তা’লাব’/ন্ধ করে রাখার অ’/ভি’যোগ উঠেছে। ত...