অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম যিনি বর্তমান সময়ের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি বলেন, ’আমরা আশা করছি, করোনার অ্যান্টিজেন টেস্ট আসছে সপ্তাহে চালু করতে পারবো। মাস দুয়েক পূর্বে সরকার অ্যান্টিজেন টেস্ট চালু করার জন্য অনুমতি প্রদান করেছিল কিন্তু ক্রয়সংক্রান্ত বিষয় এবং অন্য সামান্য কিছু প্রক্রিয়াগত কারণে এখনও তা চালু করা সম্ভাবপর হয়নি।’ গতকাল (শনিবার) দেশের একটি শীর্ষ সংবাদ মাধ্যমের অফিস মিলনায়তনে আয়োজিত ম্যালেরিয়াবিষয়ক এক গোলটেবিল আলোচনায় এ বিষয় তুলে ধরে কথা বলেন তিনি।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

তিনি আরো বলেন, ’দেশে করোনায় যারা মা’/রা যাচ্ছে তাদের বেশির ভাগ আগে থেকেই বিভিন্ন জ’/টিল রোগে আ"/ক্রা’ন্ত। আমরা গত সপ্তাহে ৩৯ জনের মৃ’/ত্যুর তথ্য পর্যালোচনা করে দেখেছি, তাদের মধ্যে ২৯ জনই (প্রায় ৭৫ শতাংশ) আগে থেকে বিভিন্ন জ’/টিল রোগে আ’/ক্রা’ন্ত ছিল।’

এদিকে দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৮ জনের মৃ’/ত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করোনা শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ৬০ জনের শরীরে, সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৯২১ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে চার লাখ ৪৭ হাজার ২৮৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে তিন লাখ ৬০ হাজার ৩৫২ জন এবং মা’/রা গেছে ছয় হাজার ৩৮৮ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৪.৬১ শতাংশ এবং মোট শনাক্ত ১৬.৯০ শতাংশ। সুস্থতার হার ৮০.৯৩ শতাংশ এবং মৃ’/ত্যুহার ১.৪৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, গত এক সপ্তাহে তার আগের সপ্তাহের চেয়ে নমুনা পরীক্ষা বেড়েছে ১১.০৮ শতাংশ, শনাক্ত বেড়েছে ২৬.০২ শতাংশ, সুস্থতা বেড়েছে ১০.৮৩ শতাংশ এবং মৃ’/ত্যু বেড়েছে ৪২.৭৪ শতাংশ।

তাছাড়া একই ধরনের বেশ কয়েকটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার করোনার প্রাদূর্ভাব হওয়া দেশগুলোর মধ্যে অ্যাকটিভ (বর্তমান সময়ে পজিটিভ থাকা) রোগীর দিক হতে বাংলাদেশ যে অবস্থানে রয়েছে সেটি হলো তৃতীয়। এই পর্যায়ের প্রথম সারিতে রয়েছে ভারত। তবে আশার কথা বাংলাদেশে প্রেক্ষাপটে বিশ্বের প্রধান প্রধান বিশেষজ্ঞরা যে ধারনা করেছিল তা বহুলাংশে সঠিক প্রমান করতে পারেনি।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display