সাবেক মেজর সিনহার ঘটনায় ওসি প্রদীপের বিচার কাজ চলমান রয়েছে এবং আদা’লতে শুনানি চলছে। মেজর সিনহাকে বিচার বহির্ভূত হ’ত্যাকা’ন্ডের ঘটনাসহ বেশ কয়েকটি মা’মলা দা’য়ের হয় টেকানাফের সাবেক ওসি প্রদীপের বিরু’দ্ধে। প্রদীপ তার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ এবং আইনজীবীর সাথে মাম’লার বিষয়ে কথা বলার জন্য আবেদন করেন কিন্তু তার সবগুলো আবেদনই খারিজ করে দেন মাননীয় আ’দালত। মোহাম্মদ আশফাকুর রহমান যিনি মহানগর দায়রা জজ হিসেবে রয়েছেন তিনি আদা’লতে শুনানি সমাপ্তির পর তার সেই আবেদনগুলো খারিজ করে দেয়।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে পুলি’শের কড়া পাহারায় প্রদীপ দাশকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কা’রাগার থেকে নেয়া হয় আদা’লত ভবনে। শুরুতেই স্বজন এবং আইনজীবীর সাথে সাক্ষাতের আবেদন খারিজ করেন আদা’লত। পরবর্তীতে কারা’গার থেকে মোবাইলে কথা বলার আবেদনও নাকচ করা হয়। তৃতীয় দফায় আবেদন জানানো হয় কারা’গারের বাইরে উন্নত চিকিৎসার। আদা’লত সেই আবেদনও নাকচ করে জেলকোড অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। এক কথায় ওসি প্রদীপের দূর্ভাগ্য নেমে আসে শুনানির পর।

তবে দুদকের তদ’ন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়নি। স্ত্রী চুমকির অবৈ’ধ সম্পদ অর্জনের অভি’যোগে গত ২৩ আগস্ট দুদকের দা’য়েরকৃত এই মাম’লায় ওসি প্রদীপকেও আসা’মি করা হয়।

তিনি পুলি’শ বাহি’নীতে গত ২৪ বছর সময়কালে সাধারন মানুষকে হয়’রানি করা এবং তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভি’যোগে একাধিকবার সাময়িক বরখাস্ত, প্রত্যাহার হয় কিন্তু তিনি তা থেকে মুক্তি পেয়ে যান। একাধিক রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও, তিনি গুরুত্বপূর্ণ থা’নায় ওসি হন। সূত্র থেকে জানা যায়, তিনি ঐ সকল পদ পেতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছিলেন। টেকনাফে ওসি হিসাবে তার দুই বছরের সময়কালে, "শুটআউট" এর ঘটনাগুলি বেড়ে যায়, বিশেষ করে দেশব্যাপী মা/দ’কবিরো’ধী অভি’যান শুরুর পর। তাঁর তথাকথিত সাহসী অভি’যানের জন্য ২০১২ সালে তাকে বাংলাদেশ পু’লিশ পদক দেওয়া হয়েছিল।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display