ক্ষমতাসীন সময়ের রাজনীতিটা বড্ড বেশি চাতু’র্যপূর্ণ, এবং এটা বেশি ভরপূর ভ’ন্ডামিতে। রাজনীতি এমন একটি জায়গা বিশেষ করে ক্ষমতাসীনে যে যতো বড় ভ’ণ্ড, সে ততটা বেশি ক্ষমতাশালী, আর এখানে যে বড় ধরনের বাটপার সেই হচ্ছে বড় ধরনের সাকসেসফুল পারসন, যে যতটা বড় মাপের অভিনেতা সে এখানে ততটা বড় মাপের সাধু রুপধা’রী, যে যতটা বড় মাপের চো’র সেই ততটাই অধিক সৎ জীবনের ভাবধারী, যে যতটা বেশী লু’চ্চামি করে সেই ততটা বড় চরিত্রবানের খেতাব পায়, যে যতটা বড় মাপের মি’থ্যুক সেই ততটা বেশী করে সত্যের বুলি ঝরাতে থাকে নাকে মুখ।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

যে যতো বড় ঠ’কবাজ সে ততো বড় আমা’নতদার সেজে বসে থাকে, যে অশিক্ষিত ব’র্বর সে ততো বেশী শিক্ষিতের ভাবধা’রী, যে যতো বড় চা’মচা সে ততোই কাছের লোক, যে যতো বড় মা’দ’কসেবী সে ততো বেশী মা’দ’ক বিরো’ধী ভাব ধরে, যে যতো বড় ভি’তু সে ততো বড়ই সাহসী সেজে থাকে, যে যতো বড় প্রতা’রক সে ততো বড় হাতেমতাই রুপধা’রী, যে যতো বড় ছল’নাময়ী সে ততো বড় মেধাবী রুপধারী, আর যে যতো বেশী কর্মীদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সে ততো বড় কর্মীবান্ধব সেজে বসে থাকে।

সবশেষে দু:সময়ে যারা ছিলো না রাজপথে অথবা ফাঁ’কিবাজ অথবা সুযো’গসন্ধানী তাদেরকেই বলা হয় ক্রিয়েটিভ এবং ক্লিন ইমেজধারী। স্বৈ’রাচার এরশাদের সময় ছাত্ররাজনীতি থেকে বিদেশে পড়তে যাওয়া, বিরো’ধী দলের সময় উচ্চ শিক্ষার নামে দেশ বিদেশে সাপের গর্তে লুকিয়ে থাকা চূড়ান্তভাবে ১/১১ তে নেত্রীর পাশে থাকতে না চাওয়া কিংবা নিজেকে নিরাপদ রাখা প্রত্যেকটি অমা’নুষের চ’রিত্র এক এবং অভিন্ন।

এরা কারা? এরা হলো বর্তমান রাজনীতির ক্লিন ইমেজধারী এবং তারা নিজেরা অনেকটা মেধাবী সে’জে বসে রয়েছে এবং একটি গ্রুপকে বিপ’থে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং তা পরিচালনার নতুন নতুন ছক কষে যাচ্ছে। ওহে তোরা যারা স্বার্থ নিয়ে এসেছিস তারা মধু খেয়ে চলে যা, কিন্তু মধু জমা হওয়া চাকটা ভাঙিস না, তাহলে যারা কষ্ট করে মধু সংগ্রহ করে, তাদের সেই আশ্রয়টুকুও হারিয়ে ফেলবে।
(সিদ্দিকী নাজমুল আলমের ফে’সবুক থেকে নেয়া)

আরো পড়ুন

Error: No articles to display