বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে গত মঙ্গলবার ২৬ (নভেম্বর) হাইকোর্টের সামনে জড়ো হন বিনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীরা। এ সময়ে তারা দাবি জানান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ভাবে কারাগারে রাখা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়েগেছে যে, এই মুহুর্তে তাকে উন্নত চিকিৎসা না দেওয়া হলে কখন কি হয়ে যায় তা বলা যায় না। এ সময়ে পুলিশ তাদের আন্দোলনে বাধা দিলে
হাইকোর্টের সামনে গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, এ ঘটনায় মোট ৫০১ জনের নামে মামলা করা হয়।

অন্য দিকে এ মামলায় আগাম জামিন পেয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির শীর্ষস্থানীয় আরও চার নেতা।
আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে হাজির হয়ে তারা আগাম জামিন আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের আট সপ্তাহের আগাম জামিন দেন।
আগাম জামিন পাওয়া অপর তিন নেতা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে হাইকোর্টের সামনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

এই মামলায় বৃহস্পতিবার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে হাইকোর্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এমকে।

এর আগে সরকারের কাছে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য আবেদন করলে সরকার তা মেনে নেয়নি। সরকার জানিয়েছে, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা কোনো অংশে কম নয়। বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই দেশেই তার উন্নত চিকিৎসা হবে।