বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ। বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আক্রান্ত হয়েছে ৩৩ জন। এবং প্রান হারিয়েছে ৫ জন। বাংলাদেশের মানুষের মাঝে ভীতি কাজ করছে করোনা ভাইরাসকে ঘিরে। বাংলাদেশের বসবাসরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা বিপাকে পড়েছে এই করোনা ভাইরাসের প্রকোপে।
করোনা ভাইরাস কভিড -১৯ এর ভয়াবহতার আশঙ্কায় দলে দলে ঢাকা ছাড়ছেন বিদেশিরা। উদ্বিগ্ন কূটনীতিকরাও তাদের পরিবার-পরিজনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়েশন এবং বিদেশ মিশন সূত্র জানায়, ভুটানের দ্রুক এয়ারের দু’টি স্পেশাল ফ্লাইট ভোররাতে ঢাকায় এসে ১৩৯ জন ভুটানিজ নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। ফেরত যাওয়া ওই দলে সাধারণ ভুটানিজ ছাড়াও ব্যবসায়ী, পেশাজীবি এবং দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিক ও স্টাফদের পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। ভুটান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন- এখনও দূতাবাসের কোনো কর্মী ফেরেননি। তবে তারাও উদ্বিগ্ন, এখানে ভাইরাসটি সংক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর হয় সেই শঙ্কায়। দূতাবাসের সবাই এখনও সুস্থ এবং নিরাপদে আছেন বলে সরকারকে জানিয়েছে ভুটান মিশন। এদিকে সরকারি সূত্র জানিয়েছে- গত রাতে মালয়েশিয়ান একটি স্পেশাল ফ্লাইটে দেশটির ২২৫ জন নাগরিককে ঢাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

ওই দলে দূতাবাসের কর্মরত কূটনীতিক ও কর্মচারীদের পরিবারও ছিলো। মালয়েশিয়া মিশনও দাবি করেছে তাদের মধ্যে করোনা নিয়ে উদ্বেগ উতকণ্ঠা থাকলেও কোনো কূটনীতিক এখনও বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। তারা ঢাকাতেই আছেন এবং এখনও সুস্থতার সঙ্গে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে যতটা সম্ভব কাজ করছেন। উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণরোধে অত্যাবশ্যকীয় মেডিকেল ইকুইপমেন্ট বিশেষ করে চিকিৎসক ও নার্সদের ব্যক্তিগত প্রোটেকশন গাউন পিপিই, টেস্টিং কিট এবং সুরক্ষা সরঞ্জামাদি পাঠাচ্ছে চীন সরকার। বন্ধুত্বের প্রমাণ স্বরূপ ওই সরঞ্জামাদি নিজস্ব কার্গো ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছে দিচ্ছে শি চিনপিংয়ের সরকার। আজ সন্ধ্যায় চীন দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা বিমানবন্দরে কার্গো ফ্লাইটটিকে স্বাগত জানাবেন।

উল্লেখ্য, গোটা বিশ্বের ১৯০ দেশে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। এই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হিমশিম খাচ্ছে গোটা বিশ্ব। বিশ্ব জুড়ে প্রান নাশের সংখ্যা প্রতি মূহুর্তে বাড়ছে। বিশ্ববাসীর জীবন যাত্রা থমকে গেছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ক্ষতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। গোটা বিশ্বের বানিজ্যিক কর্মকান্ডও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

করোনাভাইরাসের প্রকোপ, স্পেশাল ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়ছেন বিদেশিরা
Logo
Print

জাতীয় Hits: 2264

 

বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ। বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আক্রান্ত হয়েছে ৩৩ জন। এবং প্রান হারিয়েছে ৫ জন। বাংলাদেশের মানুষের মাঝে ভীতি কাজ করছে করোনা ভাইরাসকে ঘিরে। বাংলাদেশের বসবাসরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা বিপাকে পড়েছে এই করোনা ভাইরাসের প্রকোপে।
করোনা ভাইরাস কভিড -১৯ এর ভয়াবহতার আশঙ্কায় দলে দলে ঢাকা ছাড়ছেন বিদেশিরা। উদ্বিগ্ন কূটনীতিকরাও তাদের পরিবার-পরিজনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়েশন এবং বিদেশ মিশন সূত্র জানায়, ভুটানের দ্রুক এয়ারের দু’টি স্পেশাল ফ্লাইট ভোররাতে ঢাকায় এসে ১৩৯ জন ভুটানিজ নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। ফেরত যাওয়া ওই দলে সাধারণ ভুটানিজ ছাড়াও ব্যবসায়ী, পেশাজীবি এবং দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিক ও স্টাফদের পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। ভুটান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন- এখনও দূতাবাসের কোনো কর্মী ফেরেননি। তবে তারাও উদ্বিগ্ন, এখানে ভাইরাসটি সংক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর হয় সেই শঙ্কায়। দূতাবাসের সবাই এখনও সুস্থ এবং নিরাপদে আছেন বলে সরকারকে জানিয়েছে ভুটান মিশন। এদিকে সরকারি সূত্র জানিয়েছে- গত রাতে মালয়েশিয়ান একটি স্পেশাল ফ্লাইটে দেশটির ২২৫ জন নাগরিককে ঢাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

ওই দলে দূতাবাসের কর্মরত কূটনীতিক ও কর্মচারীদের পরিবারও ছিলো। মালয়েশিয়া মিশনও দাবি করেছে তাদের মধ্যে করোনা নিয়ে উদ্বেগ উতকণ্ঠা থাকলেও কোনো কূটনীতিক এখনও বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। তারা ঢাকাতেই আছেন এবং এখনও সুস্থতার সঙ্গে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে যতটা সম্ভব কাজ করছেন। উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণরোধে অত্যাবশ্যকীয় মেডিকেল ইকুইপমেন্ট বিশেষ করে চিকিৎসক ও নার্সদের ব্যক্তিগত প্রোটেকশন গাউন পিপিই, টেস্টিং কিট এবং সুরক্ষা সরঞ্জামাদি পাঠাচ্ছে চীন সরকার। বন্ধুত্বের প্রমাণ স্বরূপ ওই সরঞ্জামাদি নিজস্ব কার্গো ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছে দিচ্ছে শি চিনপিংয়ের সরকার। আজ সন্ধ্যায় চীন দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা বিমানবন্দরে কার্গো ফ্লাইটটিকে স্বাগত জানাবেন।

উল্লেখ্য, গোটা বিশ্বের ১৯০ দেশে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। এই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হিমশিম খাচ্ছে গোটা বিশ্ব। বিশ্ব জুড়ে প্রান নাশের সংখ্যা প্রতি মূহুর্তে বাড়ছে। বিশ্ববাসীর জীবন যাত্রা থমকে গেছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ক্ষতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। গোটা বিশ্বের বানিজ্যিক কর্মকান্ডও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.